মঙ্গলবার ১১, আগস্ট ২০২৬

মঙ্গলবার ১১, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --

ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর ব্যাখ্যা দিলেন রুমিন ফারহানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৯ এএম

2049

ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুটি ইউনিয়ন) আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার একটি নির্বাচনী সমাবেশের আয়োজক মো. জুয়েলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামবাদ (গোগদ) এলাকায় এ জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রার্থী রুমিন ফারহানা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে গেলে রুমিন ফারহানা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। একপর্যায়ে তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে উদ্দেশ করে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দেন এবং সভাস্থলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরে এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে রুমিন ফারহানা বলেন, তিনি যখন মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তার বক্তব্য বন্ধ করে দেন এবং পুলিশকে মাইক্রোফোন পরিচালনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। বিষয়টি জানতে চাইলে ম্যাজিস্ট্রেট আচরণবিধি লঙ্ঘনের কথা বলেন, তবে কোন বিধি কীভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে—সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রুমিন ফারহানার দাবি, তার প্রতিপক্ষরা নিয়মিতভাবে একের পর এক সভা-সমাবেশ করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ্যে প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ করে বক্তব্য দিয়েছেন এবং অশালীন মন্তব্য করলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করেছে। ওই ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রতীকীভাবে কিছু অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করেন বলে দাবি করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না এবং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে। এ বিষয়ে তিনি শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করার কথাও জানান।

অন্যদিকে, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি সকল প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ধরনের আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, প্রশাসনের কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে আইন ও বিধিমালার আলোকে পরিচালিত হচ্ছে।

Link copied!